স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিদের কাছে বেশ পরিচিত একটি নাম চিয়া সিডস। সাদা-কালো এই বীজে আছে ফাইবার, প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো উপকারি সব উপাদান। ওজন কমানো থেকে শুরু করে বদহজমের সমস্যা দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে চিয়া সিডস।
চিয়া সিড
সকালে চিয়া সিড খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী হলেও কিছু সতর্কতা জানা জরুরি। কিছু রোগের জন্য এই চিয়া সিড খেতে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।
খাবারে ফাইবারের উপস্থিতি খুব প্রয়োজন। হজমের প্রক্রিয়াকে সুস্থ রাখার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান এটি।
চিয়া সিড প্রকৃতপক্ষে সবচেয়ে জনপ্রিয় সুপারফুড, কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যদি এটি অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রদান করে, যার মধ্যে কিছু আমাদের প্রতিদিনের জন্য সাহায্য করে, তবু চিয়া সিড কারও কারও জন্য উপযুক্ত না-ও হতে পারে।
স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিদের কাছে চিয়া সিডস বেশ পরিচিত নাম। এর উপকারিতা যেমন আছে, অপকারিতাও আছে। চিয়া সিডে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার, প্রোটিন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে এই বীজের।
চিয়া সিড কেবল হজমের জন্যই ভালো নয়, ছোট্ট এই বীজ চুলের যত্নেও দারুণ কার্যকর। ওমেগা ৩ রয়েছে চিয়া বীজে, এই স্বাস্থ্যকর চর্বি প্রদাহ কমাতে এবং চুলের ফলিকলকে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করে।
প্রচণ্ড গরমে ক্লান্ত হয়ে আমরা প্রায়ই দোকান থেকে কিনে নিই চিনিযুক্ত নানা পানীয়। এগুলো তাৎক্ষণিক শক্তি এবং হাইড্রেশন বৃদ্ধি করলেও শরীরের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হয়ে যায়।
স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে চিয়া সিড বেশ জনপ্রিয় একটি নাম। হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের একটি রিপোর্ট বলছে, প্রতিদিন ২৮ গ্রাম অথবা ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ চিয়া সিড খেলে সুস্থ থাকতে এটি নানাভাবে আপনাকে সাহায্য করবে।
যদি এমন কোনো ক্ষুদ্র সুপারফুড থাকে যা শক্তিশালী প্রভাব ফেলে, তবে তা হলো চিয়া সিড। এই ছোট কালো এবং সাদা বীজ স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। হজমে সাহায্য করা থেকে শুরু করে ত্বককে উজ্জ্বল করা পর্যন্ত, এর রয়েছে অনেক উপকারিতা।
ডালিমের রস একটি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ পানীয়, যা পলিফেনল এবং অ্যান্থোসায়ানিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, এটি ফ্রি র্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।